চট্টগ্রাম সমুদ্র সৈকত

আনন্দবাজার সমুদ্র সৈকত

Written by admin

পৃথিবীর বৃহত্তম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজার ছাড়াও চট্টগ্রাম বিভাগে আরোও বেশকিছু সমুদ্র সৈকত রয়েছে। যেমনঃ পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত, পারকির চর সমুদ্র সৈকত, গুলিয়াখালি সমুদ্র সৈকত ইত্যাদি ভ্রমণপ্রিয়দের কাছে পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে সুপরিচিত। তবে এছাড়াও চট্টগ্রাম জেলায় আরোও একটি সমুদ্র সৈকত রয়েছে। নাম আনন্দবাজার সমুদ্র সৈকত বা দক্ষিণ কাট্টলি সমুদ্র সৈকত। স্থানীয়দের কাছে এটি হালিশহর চৌচালা সমুদ্র সৈকত ও ফিশারম্যান বিচ নামেও পরিচিত। অন্যান্য জেলার দর্শনার্থীদের মধ্যে এই স্থানটি এতটা জনপ্রিয় নয়। তবে স্থানটির বৈচিত্র্যময় সৌন্দর্য আপনাকে নিশ্চয়ই মুগ্ধ করবে। শান্ত, স্নিগ্ধ, মনোরম পরিবেশে নৌকা, জাহাজ এবং সবুজ গুল্মে ভরা নীল সমুদ্র দেখে মনে পরম প্রশান্তির অনুভূতি হয়। পর্যটকরা তাজা শীতল বাতাসে দম নিয়ে সূর্যোদয় এবং সূর্যাস্তের প্রাকৃতিক দৃশ্য উপভোগ করতে পারেন। বালির চারপাশের কংক্রিট কিউবগুলি সৈকতের সৌন্দর্য আরও বাড়িয়ে তোলে।

কিভাবে যাবেন?

ঢাকা থেকে সড়ক, রেল বা আকাশপথে যেকোনো উপায়ে চট্টগ্রাম যেতে পারবেন। এনা পরিবহন, ইউনিক সার্ভিস, এস আলম পরিবহন, সৌদিয়া, শ্যামলী পরিবহন, গ্রীণ লাইন পরিবহন, হানিফ এন্টারপ্রাইজ, দেশ ট্রাভেলস ইত্যাদি বাসে করে চট্টগ্রাম যেতে পারেন। ননএসি বাসের জন্য টিকেট খরচ জনপ্রতি ৪৮০ টাকা। আর এসি বাসের জন্য টিকেট প্রতি ৮০০ টাকা থেকে ১৩০০ টাকা খরচ হবে। 

ট্রেনে চট্টগ্রাম যেতে চাইলে সুবর্ণ, বিজয়, পাহাড়িকা, মহানগর, মহানগর গোধূলী, সোনার বাংলা, উদয়ন, তূর্ণা, নিশিতা, সাগরিকা, চট্টলা, কর্ণফূলী ইত্যাদি এক্সপ্রেস ট্রেনে চড়ে যেতে পারেন। শ্রেণির ধরণ অনুসারে টিকেটের মূল্য ২৫০ টাকা থেকে ১১০০ টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে। 

 ঢাকা থেকে চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ বিমান, ইউ এস বাংলা এয়ারলাইন্স, রিজেন্ট এয়ারওয়েজ, নভোএয়ার ইত্যাদি সংস্থার বিমান ছেড়ে যায়। বিমানের সর্বনিম্ন ভাড়া ২৫০০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ভাড়া ৯২০০ টাকা। 

চট্টগ্রাম পৌঁছে এ.কে.খান গেট থেকে ১১ নং বাসে করে হালিশহর বড়পোল নামতে হবে। বাস ভাড়া জনপ্রতি ১০ টাকা। বড়পোল থেকে ৬০ বা ৭০ টাকা ভাড়ায় রিক্সা কিংবা অটোতে করে চৌচালা সমুদ্র সৈকত বা আনন্দবাজার সমুদ্র সৈকত যেতে পারবেন। 

কোথায় খাবেন?

সমুদ্র সৈকতের আশেপাশে কেবলমাত্র গুটিকয়েক টং দোকান রয়েছে। খাওয়া দাওয়ার জন্য আপনাকে বড়পোল বা হালিশহরের দিকে আসতে হবে। দুপুর কিংবা রাতে খাওয়ার জন্য আপনি হালিশহরের দ্যা কাবাবিয়ান মাল্টি কুইসিন রেন্টুরেন্ট, আলিশান রেস্তোরা, রাজমহল রেস্তোরা, মেক্সিকান শর্মা হাউজ, বনফায়ার রেস্টুরেন্ট, খানদানি রেস্টুরেন্ট, সিমান্তে কিছুক্ষণ ইত্যাদি বেঁছে নিতে পারেন।

কোথায় থাকবেন?

চট্টগ্রাম শহরে থাকার জন্য অসংখ্য আবাসিক হোটেল রয়েছে। এসব হোটেলে থাকা ও খাওয়ার সুব্যবস্থা রয়েছে। নিচে কয়েকটি হোটেলের নাম, ঠিকানা এবং যোগাযোগের ঠিকানা দেয়া হলো:

১। হোটেল গোল্ডেন ইন

ঠিকানাঃ ৩৩৬, স্টেশন রোড, চট্রগ্রাম

ফোনঃ ০৩১-৬১১০০৪

২। এশিয়ান এসআর হোটেল

ঠিকানাঃ ২৯১, স্টেশন রোড, চট্রগ্রাম

ফোনঃ ০৩১-২৮৫০৩৪৬-৮

৩। হোটেল পার্ক

ঠিকানাঃ ৬২৭, ডিটি রোড, কদমতলি, চট্রগ্রাম

ফোনঃ ০১৮১৯৩৮৮০১১

৪। হোটেল ল্যান্ডমার্ক

ঠিকানাঃ ৩৭২, শেখ মুজিব সড়ক, আগ্রাবাদ, চট্রগ্রাম

ফোনঃ ০৩১-৮১৩৫৯৮/৭২৭২৯৯

৫। হোটেল ড্রিম ইন্টারন্যাশনাল লিঃ

ঠিকানাঃ স্টেশন রোড, চট্রগ্রাম

ফোনঃ ০১৮২৯-৪৪০০৪৪

একটুখানি কেনাকাটা

বন্দর নগরী চট্টগ্রামের সবচেয়ে বিখ্যাত দুটি বিষয় হলো মেজবানের গরুর মাংস এবং শুটকি। আর সমুদ্র সৈকত এলাকা থেকে কেনাকাটা করতে চাইলে শুটকির চেয়ে সেরা আর কিছু হতে পারে না। এছাড়া এখানে নানা পদের আচারও পাবেন। চাইলে তা কিনতে পারেন।

Leave a Comment

Our new website now under construction, It will coming soon. Do you like to get notify when the new version will be on live?

Subscribe for notifications.

You have successfully subscribed to the newsletter

There was an error while trying to send your request. Please try again.

Bangladesh Tourism Guide will use the information you provide on this form to be in touch with you and to provide updates and marketing.